1. asrafulalamsorkar@gmail.com : asrafulal amsorkar : asrafulal amsorkar
  2. admin@dainiksomoybela.com : somoy312admin :
শনিবার, ২৪ মে ২০২৫, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড় সীমান্ত দিয়ে আরও ২১ জনকে বিএসএফ এর পুশইন। উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সফলতা লাভে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হলেন আব্দুল ওহাব ও আজাদ হোসেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার, স্ত্রী আটক স্বামী পলাতক তুরাগে সরকারি খাল দখল করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ লোহাগড়ায় মিলল অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ মাদক মামলায় ০৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক ০১ জন আসামী গ্রেফতার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৪ গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ কালিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎আব্দুল হালিম কে বাঁচাতে স্ত্রী দিতে চান কিডনি কিন্তু নেই প্রতিস্থাপনের কোনো অর্থ

সীমান্তে ফেলানী হত্যার বিচার, ১৪ বছর ঝুলন্ত ভারতীয় আদালতে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : আমার নিরপরাধ কিশোরী মেয়েটাকে পাখির মত গুলিকরে মারলো। মৃত্যু যন্ত্রণায় শুধু পানি পানি করে চিৎকার করছিল। এক ফোঁটা পানিও তারা দেয়নি। তার লাশ কাঁটাতারে উলটো ঝুলিয়ে রাখছিলো। ১৪ বছর আগের প্রকাশ্য এ নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার এখনো ঝুলিয়ে আছে ভারতের আদালতে। বিচার প্রকৃয়া সম্পুর্ন হতে আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে! নতুন সরকারের কাছে এমনটাই প্রশ্ন ফেলানীর বাবা-মা এবং স্হানীয়দের।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বাবার সাথে কাটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। ঘটনার দুই বছর পর ২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ কোর্টে শুরু হয় এ হত্যাকাণ্ডের বিচার। ফেলানীর বাবা ও মামার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে খালাস দেওয়া হয়। রায় প্রত্যাখান করে পুনরায় বিচার দাবির পর দ্বিতীয় দফায় তাকে খালাস দেওয়া হয়। পরে ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ ফেলানীর বাবার পক্ষে দেশটির সুপ্রীম কোর্টে রিট পিটিশন করে। এরপর বারবার শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করা হলেও রহস্যজনক ভাবে বিচার প্রকৃয়া বন্ধ রয়েছে। মেয়ে হত্যার বিচার না পাওয়ার বিষয়ে বিগত সরকারের অবহেলাকে দায়ী করলেন ফেলানীর বাবা-মা ও স্বজনরা।
ফেলানীর বাবা নূরুল ইসলাম বলেন, ফেলানী হত্যার ১৪ বছর হলেও এখন পর্যন্ত বিচার পাই নাই। ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টে গেলাম, কয়েকবার শুনানির তারিখ দিলেও তা পিছিয়ে গেছে। আমার মেয়ে ফেলানী হত্যাকারীর বিচার মরার আগে দেখে যেতে চাই।’
ফেলানীর মা জাহানারা বেগম বলেন, নতুন সরকারের কাছে আমার একটাই দাবি, বিচারটা যাতে আন্তর্জাতিক আদালতে হয়।’
বাদীপক্ষের আইনজীবী এস. এম. আব্রাহাম লিংকন বলেন, ‘ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে যে আবেদনটা করা হয়েছে, যে রিটটি রয়েছে, সেটি নিষ্পত্তি হলে শুধু যে ন্যায়বিচারই হবে, তা নয়। আমি মনে করি ভবিষ্যতে আমাদের বর্ডার ম্যানেজমেন্টসহ, খুন-খারাবি কমে আসবে।

রফিকুল ইসলাম রফিক
কুড়িগ্রাম

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2024
Powered by: Nfly IT