1. admin@dainiksomoybela.com : Admin :
গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন - দৈনিক সময়বেলা
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আসামীসহ হেরোইন আটক নড়াইলে লাশের সাথে অনৈতিক কাজ, আটক অ্যাম্বুলেন্স চালক আধুনিক সেবায় এগিয়ে আছে মেডিকো ডায়াগনস্টিক সেন্টার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তুরাগবাসীসহ দেশবাসীকে আব্দুর রহমান বুলুর শুভেচ্ছা  শ্রীপুরে মসজিদে চুরি, ফ্যান-ব্যাটারি-মোটরের তারসহ বাথরুমের দরজা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা শিবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির বিশেষ অভিযান চিহ্নিত মাদক কারবারী আটক অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবারকে ঘর নির্মাণ সামগ্রী দিল উদারতা ফাউন্ডেশন রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রামে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র রাতভর অভিযান: ১ জন আটক, বিপুল পরিমাণ এস্কুফ সিরাপ ও ইয়াবা জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রশিবির উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
একাত্তরের সংবিধান পাশ কাটিয়ে অবৈধ ইউনুস জনগণের নামে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চাইছে।

গণভোটের নামে সংবিধান লঙ্ঘন: একাত্তরের সংবিধান ভাঙার নতুন ষড়যন্ত্র

বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের কোনো বিধান নেই। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের সুযোগ যুক্ত করা হলেও ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়। ফলে আজকের বাস্তবতায় গণভোট আয়োজনের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।খবর আইবিএননিউজ।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কেবল জরুরি প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের জন্য অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সেই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ পরিবর্তন, বাতিল বা পুনর্বহাল করার সুযোগ নেই। সংবিধান সংশোধনের একমাত্র বৈধ পথ হলো ১৪২ অনুচ্ছেদ, যেখানে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন বাধ্যতামূলক।

এই বাস্তবতার পরও তথাকথিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’-এর মাধ্যমে গণভোটের প্রভিশন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে অসাংবিধানিক এবং সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

আরও গুরুতর বিষয় হলো, সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় এ ধরনের অধ্যাদেশ জারি করার কোনো সুযোগ সংবিধান দেয় না। সংবিধান যেহেতু রহিত বা স্থগিত হয়নি, তাই কোনো অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের চেষ্টা করা মানে সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ অমান্য করা। এই অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন সংবিধান অনুযায়ী একটি চরম অপরাধ।

বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ ইউনুস একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী ও স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করতেই গণভোটের নাটক মঞ্চস্থ করছে। এটি জনগণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ নয়, বরং সংবিধান ভাঙার রাজনৈতিক কৌশল।

এই প্রেক্ষাপটে সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব হলো সংবিধানবিরোধী যেকোনো গণভোট প্রত্যাখ্যান করা এবং আইনের শাসন ও একাত্তরের সংবিধান রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেওয়া।

আইনজ্ঞদের মতে, এই গণভোট কোনো গণতান্ত্রিক অনুশীলন নয়। এটি একাত্তরের সংবিধানকে অকার্যকর করে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী, অগণতান্ত্রিক ও ব্যক্তি-কেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করার কৌশল।

এই প্রেক্ষাপটে সচেতন নাগরিকদের জন্য বার্তা পরিষ্কার—
সংবিধানবিরোধী গণভোট মানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড।
এতে অংশ নেওয়া মানে নিজের অধিকার ও সংবিধান নিজ হাতে দুর্বল করা।

এই গণভোট জনগণের নয়, এটা রাষ্ট্র ধ্বংসের ব্লুপ্রিন্ট।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2026
Powered by: Nfly IT