1. admin@dainiksomoybela.com : Admin :
নড়াইলে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির অভিযোগে সাবেক প্রধান শিক্ষককে শোকজ - দৈনিক সময়বেলা
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আসামীসহ হেরোইন আটক নড়াইলে লাশের সাথে অনৈতিক কাজ, আটক অ্যাম্বুলেন্স চালক আধুনিক সেবায় এগিয়ে আছে মেডিকো ডায়াগনস্টিক সেন্টার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তুরাগবাসীসহ দেশবাসীকে আব্দুর রহমান বুলুর শুভেচ্ছা  শ্রীপুরে মসজিদে চুরি, ফ্যান-ব্যাটারি-মোটরের তারসহ বাথরুমের দরজা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা শিবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির বিশেষ অভিযান চিহ্নিত মাদক কারবারী আটক অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবারকে ঘর নির্মাণ সামগ্রী দিল উদারতা ফাউন্ডেশন রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রামে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র রাতভর অভিযান: ১ জন আটক, বিপুল পরিমাণ এস্কুফ সিরাপ ও ইয়াবা জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রশিবির উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নড়াইলে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির অভিযোগে সাবেক প্রধান শিক্ষককে শোকজ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

 

খন্দকার ছদরুজ্জামান, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ;

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লোহাগড়া লক্ষ্মীপাশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির অভিযোগে বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক কে এম রেজাউল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক ম্যানেজিং কমিটি।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কে এম রেজাউল ইসলাম প্রধান শিক্ষক থাকাকালে ৯০ নম্বর লক্ষ্মীপাশা মৌজার সাবেক ১২৩৮ নম্বর দাগভুক্ত বিদ্যালয়ের ১৭ শতক জমি বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সালে দলিলের মাধ্যমে লোহাগড়া পৌরসভার রাজুপুর গ্রামের বাসিন্দা আইনুল হকের কাছে জমিটি হস্তান্তর করা হয়।

সাবেক প্রধান শিক্ষক কে এম রেজাউল ইসলাম জমি বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তৎকালীন অ্যাডহক কমিটির অনুমতি নিয়েই এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের ব্যয় মেটাতে জমিটি বিক্রি করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ১৭ শতক জমি ৮ লাখ টাকায় বিক্রি করে সেই অর্থ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে।

তবে জমির ক্রেতা আইনুল হক জানান, রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তিনি জমিটি কিনেছেন। দলিলে প্রতি শতক জমির মূল্য ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে। সে হিসাবে ১৭ শতক জমির মোট মূল্য দাঁড়ায় ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এতে দলিলে উল্লেখিত মূল্য ও সাবেক প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যের মধ্যে ৫০ হাজার টাকার পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন শিকদার বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নথিপত্রের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ সময় জমি বিক্রির বিষয়টি তাদের নজরে আসে।

তিনি বলেন, “একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধিবিধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কাউকে আগাম দোষী বা নির্দোষ বলতে চাই না। তাই সাবেক প্রধান শিক্ষকের কাছে সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন, দলিল, অনুমোদন এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শোকজের স্মারক নম্বর ২০২৬(০৮)। নোটিশে জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত, সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন, দলিল এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বিক্রির বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে জমি বিক্রির প্রক্রিয়াটি আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী হয়েছিল কি না এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিদ্যালয়ের স্বার্থে যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা সাবেক প্রধান শিক্ষকের শোকজের জবাব, সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন, দলিল, অনুমোদনপত্র ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2026
Powered by: Nfly IT