1. admin@dainiksomoybela.com : Admin :
সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি নয়, ৭৪ দোকানের বকেয়া ভাড়া আদায় ঠেকাতেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ - দৈনিক সময়বেলা
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আসামীসহ হেরোইন আটক নড়াইলে লাশের সাথে অনৈতিক কাজ, আটক অ্যাম্বুলেন্স চালক আধুনিক সেবায় এগিয়ে আছে মেডিকো ডায়াগনস্টিক সেন্টার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তুরাগবাসীসহ দেশবাসীকে আব্দুর রহমান বুলুর শুভেচ্ছা  শ্রীপুরে মসজিদে চুরি, ফ্যান-ব্যাটারি-মোটরের তারসহ বাথরুমের দরজা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা শিবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির বিশেষ অভিযান চিহ্নিত মাদক কারবারী আটক অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পরিবারকে ঘর নির্মাণ সামগ্রী দিল উদারতা ফাউন্ডেশন রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রামে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র রাতভর অভিযান: ১ জন আটক, বিপুল পরিমাণ এস্কুফ সিরাপ ও ইয়াবা জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রশিবির উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি নয়, ৭৪ দোকানের বকেয়া ভাড়া আদায় ঠেকাতেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

 

 

হাফিজুর রহমান ( যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের পুরোনো গ্রিল, বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল তামার তার ও লোহার পাইপসহ বিভিন্ন ভাঙড়ি মালামাল বিক্রির বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে নানা অভিযোগ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, টেন্ডার ছাড়াই গোপনে মালামাল বিক্রির অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। বরং প্রতিষ্ঠানের ৭৪টি দোকানঘরের দীর্ঘদিনের বকেয়া ভাড়া ও অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসার পরই একটি মহল প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচারে নেমেছে।

 

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের মোট ৭৪টি দোকানঘর রয়েছে। কয়েক বছর আগে দোকানগুলো ইজারা দেওয়া হলেও বর্তমানে অনেক ইজারাদারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। দোকান নেওয়ার সময় জামানত হিসেবে ২০ হাজার টাকা এবং মাসিক ৭০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়াই কয়েকজন দোকান ইজারাদার নিজেদের অন্য ব্যক্তির কাছে দুই লাখ ৭৫ হাজার, দেড় লাখ ও এক লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতের বিনিময়ে হস্তান্তর করেছেন। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাসিক ভাড়াও দুই হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ এসব লেনদেনের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অবগত নয়।

 

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বিভিন্ন দোকান ইজারাদারের কাছে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ টাকা ভাড়া বকেয়া রয়েছে। এ বিষয়ে সাবেক সভাপতি সোহরাব হোসেন কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের দাবি, তার নিজের কাছেও প্রতিষ্ঠানের বকেয়া পাওনা রয়েছে বলে বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে কার্যকরভাবে সমাধান হয়নি।

 

সম্প্রতি নতুন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানের দোকানঘরগুলোর বকেয়া ভাড়া, ইজারা ও সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এ লক্ষ্যে চলতি মাসে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দোকানদার, বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, শিক্ষক প্রতিনিধি, অভিভাবক সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

 

সভায় দীর্ঘদিনের বকেয়া ভাড়া আদায়, মেয়াদোত্তীর্ণ দোকানঘরের বিষয়টি নিষ্পত্তি এবং প্রতিষ্ঠানটির দোকানগুলো সংস্কারের বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা আদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই একটি পক্ষের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।

 

এরই মধ্যে গত ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠানের কিছু পুরোনো ও অপ্রয়োজনীয় ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি করা হয়। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরোনো গ্রিল, বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ও লোহার পাইপসহ বিভিন্ন অচল ও পরিত্যক্ত মালামাল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিক্রি করা হয়েছে। এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গৌতম দত্ত, শিক্ষকবৃন্দ, বাজার কমিটির সভাপতি ও ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুভাষ দেবনাথ, স্কুলের অভিভাবক সদস্যসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গৌতম দত্ত বলেন, “কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সবার উপস্থিতিতেই ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। এসব মালামাল বিক্রি করে এক লাখ তিন হাজার টাকা পাওয়া গেছে। বিক্রির সম্পূর্ণ টাকা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের গোপনীয়তা বা অনিয়মের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয়দের মতে , মূল বিষয় ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি নয়; বরং প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১২ লাখ টাকা বকেয়া ভাড়া আদায়, অনুমোদন ছাড়া দোকান হস্তান্তরের অভিযোগ এবং দোকানঘর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অনিয়মের বিষয়গুলো সামনে আসায় এ নিয়ে বিরোধ ও অপপ্রচার শুরু হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2026
Powered by: Nfly IT