
বিষয়: ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চুয়াডাঙ্গা শাখায় দুর্নীতির অভিযোগ
প্রিয় মহোদয়,
আসসালামু আলাইকুম।
৩/৪ দিন পর আজ আপনি জানালেন যে চুয়াডাঙ্গা জেলা ইনচার্জ জনাব মঞ্জুরুল এলাহী এবং এরিয়া ইনচার্জ জনাব মোসলে উদ্দিন মোল্লার সাথে যোগাযোগ করতে হবে। অথচ ২-৩ দিন আগে আপনি নিজেই আমার কাছ থেকে এফ.এ. কোড নাম্বার নিয়ে বলেছিলেন— “আমি বিষয়টি নিজেই সমাধান করে দেব।”
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চুয়াডাঙ্গা অফিসে অতীতে যে ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে, তাতে আবারও সেই একই চক্রের কাছে পাঠানোর বিষয়টি অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ।
প্রায় দুই বছর আগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন এলাকায় মোছাঃ রঞ্জিনা খাতুন রুনু নামে এক সদস্য মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুদাবির টাকা পরিশোধের সময়, তৎকালীন ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম, এরিয়া ইনচার্জ মোসলে উদ্দিন, এবং অফিসের দায়িত্বে থাকা রত্না ম্যাডাম, শিখা ম্যাডাম ও কেয়া ম্যাডামসহ কয়েকজন কর্মকর্তা যৌথভাবে এফএ কর্মী সুমির কাছ থেকে ২১ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।
আমি সাংবাদিক হিসেবে বিষয়টি হাতে-নাতে ধরতে সক্ষম হই এবং সমস্ত প্রমাণপত্র ও ডকুমেন্ট আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। পরে অনেক কষ্ট ও ধৈর্যের সঙ্গে কোম্পানির হেড অফিসে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী সেই মৃত্যুদাবির চার ভাগের এক ভাগ টাকা আমি নিজেই আদায় করেছিলাম, যাতে মৃত সদস্যের পরিবার তাদের ন্যায্য পাওনা পায়।
বর্তমানে একই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছেই পুনরায় যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে— যা কেবল হতাশাজনক নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার প্রতি বড় ধরনের প্রশ্ন তোলে।
ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রতি জনসাধারণের আস্থা রক্ষার স্বার্থে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
শ্রদ্ধাসহ,
এস এম রেদ্বোয়ান:
সভাপতি, খুলনা বিভাগীয় প্রেসক্লাব (চুয়াডাঙ্গা জেলা)
Leave a Reply