
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জনবান্ধব ব্যক্তি মোঃ আলমগীর ফকির। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা এবং এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আলমগীর ফকির ইতোমধ্যে জনগণের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।
বিশেষ করে তেলিহাটি ইউনিয়নের ছাতিরবাজারে অবস্থিত টেপির বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য হিসেবে টানা দুইবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং অভিভাবকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিভাবকরা জানিয়েছেন।
বিদ্যালয়ের একাধিক অভিভাবক জানান, “আলমগীর ফকির সবসময় বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কথা চিন্তা করেছেন। তিনি দায়িত্বে থাকাকালে শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হয়েছে এবং অভিভাবকদের মতামতের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়েছে।”
মোঃ আলমগীর ফকির বলেন, “আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে ওয়ার্ডের রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও যুবসমাজের উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করব। একটি আধুনিক, সুন্দর ও মডেল ওয়ার্ড গড়াই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ হিসেবে আলমগীর ফকিরের প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তার নেতৃত্বে ৮ নং ওয়ার্ডে উন্নয়ন, শিক্ষা ও জনসেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অনেকে।
দোয়া ও সমর্থন কামনা করে আলমগীর ফকির বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, পুরো ৮ নং ওয়ার্ডবাসীর প্রতিনিধি হতে চাই। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়েই উন্নয়নের পথচলা এগিয়ে নিতে চাই।”
Leave a Reply