
⚠️ চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত অ্যালকোহলে মৃত্যুর মিছিল
ডিঙ্গেদহে একের পর এক লাশ — আতঙ্কে পুরো এলাক
নিজস্ব প্রতিবেদক | সাংবাদিক এস এম রেদ্বোয়ান:
চুয়াডাঙ্গায় আবারও বিষাক্ত অ্যালকোহল পানের মর্মান্তিক ঘটনা।
একই রাতে একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু ও কয়েকজনের আশঙ্কাজনক অবস্থার খবর মিলেছে জেলার ডিঙ্গেদহ ও আশপাশের গ্রামগুলো থেকে।
এতে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কয়েকজন ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে স্থানীয়ভাবে তৈরি দেশীয় অ্যালকোহল (চোলাই মদ) পান করেন।
পরে রাতেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভোরের দিকে খেজুরা গ্রামের সেলিম, নফরকান্দি গ্রামের খেদের, পিরোজখালি গ্রামের লালটু, শংকরচন্দ্র গ্রামের লালটু, মোল্লা শহীদ, এবং ডিঙ্গেদহের সমীরুদ্দীন নামে ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়াও আরও কয়েকজন বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ডিঙ্গেদহ ও আশপাশের গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে দেশীয় মদ তৈরির কারখানা চালু রয়েছে।
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব মদ নিম্নমানের কেমিক্যাল মিশিয়ে বিক্রি করা হয়, যা ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মৃত্যুর ফাঁদে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
<span;>> “প্রতিদিন রাতে দেখা যায় কিছু লোক গোপনে মদ বিক্রি করে। পুলিশ জানে, প্রশাসন জানে— কিন্তু ব্যবস্থা নেয় না। এখন এর খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।”
এদিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে,
তারা ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অপেক্ষায় রয়েছে।
একইসাথে ওই এলাকায় মদ তৈরির অভিযোগে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
<span;>> “এদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরে মিথানল (বিষাক্ত রাসায়নিক) এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুত চিকিৎসা না পেলে এমন রোগীদের বাঁচানো প্রায় অসম্ভব।”
📍 সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ:
চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুর অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে “গোপন চোলাই মদের নেটওয়ার্ক” সক্রিয়।
প্রশাসনের অভিযান সাময়িকভাবে থামালেও, প্রকৃত কারিগর ও সরবরাহকারীরা থেকে যায় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
ফলে একের পর এক প্রাণহানি যেন রুটিনে পরিণত হচ্ছে।
প্রশ্ন উঠেছে— কতজন মরলে প্রশাসন টনক নড়বে?
📸 ছবি ক্যাপশন প্রস্তাব:
<span;>> “চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহ গ্রামে মৃত্যুর সংবাদ শুনে ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়রা— নীরব গ্রামজুড়ে এখন কান্নার সুর।”
Leave a Reply