
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা ডালেশহর গ্রামের সাহেব আলী ছেলে মনির হোসেন সাথে ডালেশহর গ্রামের হাফিজ উদ্দিন , মোঃ দুলাল মোঃ সুজন , জালাল উদ্দিন তোফাজ্জল হোসেন, মোঃ রিয়াদ সামসুদ্দিন , বিরুদ্ধে মনির হোসেন বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন মনির হোসেন অভিযোগে লেখেন বিবাদীগণ খুবই খারাপ, পরধন লোভী ও আইন অমান্যকারী প্রকৃতির লোক হিসাবে পরিচিত। বিবাদীরা বেশ কিছুদিন যাবৎ অন্যায় ভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে আমার পিতা- মোঃ সাহেব আলীর পৈত্রিক সূত্রে মালিকানাধীন ১৫নং সাতখামাইর মৌজায় এস.এ- ২৮০, আর.এস- ৮৩২, ৮৩৩ নং খতিয়ানে এস.এ- ২০৭৭, ২০৭৮, আর.এস-১৬৪৮০, ১৬৪৮৯ নং দাগে অনুমান ২০ শতাংশ জমি জোর পূর্বক বেদখলের অপচেষ্টা করিয়া আসিতেছে। বিষয়টি আমরা গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের অবগত করি ও স্থানীয় ভাবে শালিস দরবার হইলেও বিবাদীরা কাহারো কথায় কর্ণপাত করিতেছে না। ইং ২৬/০৭/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.৩০ টার সময় উক্ত বিবাদীরা অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন বিবাদীদের সাথে নিয়া ও দা, লাঠি, লোহার রড, বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী ইত্যাদি নিয়া আমার পিতার বর্ণিত জমিতে আসিয়া জোর পূর্বক জমি বেদখলের উদ্দেশ্যে জমিতে স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করে। তখন আমি ও আমার পরিবারের লোকজন ঘটনা দেখিয়া বিবাদীদের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করিলে, বিবাদীরা আমাদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে
বিবাদী দুলাল জানান ঘঠনার সময় আমি ভাংনাহাটি কামিল মাদ্রাসায় উপজেলা পর্যায়ে শাপলাকাব এওয়ার্ড পরীক্ষার হলে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলাম অতএব আমাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন আমাদের লোকজন আমাদের নিজস্ব ক্রয়কৃত জমিতে ঘর করতে গেলে বিবাদীগণ বাধা দেয় আমরা এর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচারের দাবি জানাচ্ছি এ বিষয়ে এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বার ও এলাকাবাসী মিলে একাধিক শালিস বিচার করা হয়েছে তারপরে বাদি পক্ষ মানেনি আমরা এর সঠিক বিচারের দাবী জানাচ্ছি
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply