
এসএম রেদ্বোয়ান,
১১,সেপ্টেম্বর ২০২৫,
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানায় দায়ের হওয়া এক নারীর অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগে বলা হয়—স্থানীয় এক যুবক টিকটক পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে যুবকের পরিবার তাকে মারধর ও অপমান করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে, দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই রোকন-এর বিরুদ্ধে গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীর দাবি—তিনি আসামিকে গ্রেপ্তারের বদলে বারবার সময়ক্ষেপণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত আসামিকে বিদেশে পালাতে সহযোগিতা করেন।
ঘটনাটি পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে সমাধানের নামে আঠারোখাদা ইউনিয়ন পরিষদে তোলা হলে, চেয়ারম্যান তাবারক ও মেম্বার আক্তার মিলে কথিত সালিশ বসান। সেখানে ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় মীমাংসার চেষ্টা হলেও ভুক্তভোগীর হাতে মাত্র ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। বাকি অর্থ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ—এএসআই রোকন, চেয়ারম্যান তাবারক ও মেম্বার আক্তার মিলে পুরো ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। স্থানীয় গণ্যমান্যরা বলছেন—এটি শুধু প্রতারণা বা নারী নির্যাতনের মামলা নয়, বরং পুলিশের দায়িত্বহীনতা ও জনপ্রতিনিধিদের দুর্নীতির একটি জ্বলন্ত প্রমাণ।
এখন এলাকাবাসীর দাবি—মূল আসামি থেকে শুরু করে তার পরিবার, এএসআই রোকন এবং চেয়ারম্যান- মেম্বার সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
Leave a Reply