1. admin@dainiksomoybela.com : somoy312admin :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ উত্তরায় মদের বার বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর রাজপথে প্রতিবাদ চুয়াডাঙ্গায় জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জ্বালানী তেল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি জেলা প্রশাসকের ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও ৮ লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২ টেন্ডার ছাড়াই মাদ্রাসার মেহগনি গাছ বিক্রির অভিযোগ, সভাপতির বিরুদ্ধে তিন লক্ষ টাকার অনিয়মের প্রশ্ন নড়াইলে হত্যা মামলার ১৭ আসামি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার, জেল হাজতে প্রেরণ খুলনায় রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু অস্ত্রাগার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা পুলিশের কালীগঞ্জে শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় বিপদের আশঙ্কা—প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি স্থানীয়দের চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী প্রশিক্ষণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

টেন্ডার ছাড়াই মাদ্রাসার মেহগনি গাছ বিক্রির অভিযোগ, সভাপতির বিরুদ্ধে তিন লক্ষ টাকার অনিয়মের প্রশ্ন

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার | মোঃ আকবর আলী, কলারোয়া প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই দুইটি মূল্যবান মেহগনি গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মাদ্রাসার সভাপতি কামরুজ্জামান, যিনি একই সঙ্গে কলারোয়া উপজেলার একটি রাজনৈতিক দলের আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ না করে এবং কোনো ধরনের উন্মুক্ত টেন্ডার আহ্বান ছাড়াই সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে থাকা দুইটি পরিপক্ক মেহগনি গাছ বিক্রি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গাছ দুটি অত্যন্ত পুরোনো ও মূল্যবান হওয়ায় এর বাজারমূল্য আনুমানিক তিন লক্ষ টাকারও বেশি হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং উন্মুক্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে তারা দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে—গাছ বিক্রির অর্থ কোথায় জমা হয়েছে, কাদের উপস্থিতিতে বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে এবং এর হিসাব মাদ্রাসার রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ উঠেছে, মাদ্রাসার সভাপতি কামরুজ্জামান ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে গোপনে গাছ দুটি বিক্রয়ের ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ এভাবে বিক্রি করা হলে তা শুধু আর্থিক অনিয়মই নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপরও প্রশ্ন তোলে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সভাপতি কামরুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার অবস্থান এখনো অজানা রয়ে গেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা মনে করছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নিয়ে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়তে পারে।
উল্লেখ্য, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2026
Powered by: Nfly IT