1. admin@dainiksomoybela.com : Admin :
ফেলানীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টা আসিফ - দৈনিক সময়বেলা
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের নদীভাঙন রোধে ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন কবিতা ও সাংবাদিকতায় উজ্জ্বল সম্ভাবনা মোঃ আবু সাইদ শওকত আলীর শতাধিক কবিতা প্রকাশিত। জাতীয় কবি ও সাহিত্য সংসদের নতুন কমিটিতে সহ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নড়াইলে এস্কাফ, গাঁজা ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ঠাকূরগাঁওয়ে ২০২৬-২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু। কেশবপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সাংবাদিকদের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের মতবিনিময়, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে কিশোরগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও গঠনমূলক কাজে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য আনসার ভিডিপিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান কালিয়ায় নবগঙ্গা নদীতে মাছধরা নৌকা ডুবে জেলে নিখোঁজ ৫৯ বছর বয়সে অনার্স পাস, বেলায়েত শেখের শিক্ষাযাত্রা অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্

ফেলানীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টা আসিফ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানী খাতুনের পরিবারের দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পোস্টে বলা হয়, ‘সীমান্তে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা ফেলানীর ভাই-বোনের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের দায়িত্ব নিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। পোস্টে দেওয়া ছবিতে দেখা যায়, উপদেষ্টা আসিফের সঙ্গে ফেলানীর মা-বাবা ও ভাই উপস্থিত রয়েছেন।
এদিকে সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার ফেলানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সমাবেশের আয়োজন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে তার বাবা নূর ইসলাম এই হত্যার বিচারের উদ্যোগ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
১৪ বছর আগে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি করে ফেলানীকে। হত্যার পর তার মরদেহ সীমান্তের কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখে।
সেই ছবি তখন দেশ ছাপিয়ে দেশের বাইরের গণমাধ্যমে প্রচার হলে তা নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে । হত্যার পর থেকে প্রতিবছরে তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয় এবং সরকারের কাছে তার পরিবার মৃত্যুর বিচার চান যদিও এ ঘটনার কোনো বিচার আজও হয়নি।

রফিকুল ইসলাম রফিক
কুড়িগ্রাম

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2026
Powered by: Nfly IT