

নিজস্ব প্রতিবেদক, এসএম রেদ্বোয়ান: চুয়াডাঙ্গা জেলা
চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে অবৈধ দেশীয় মদের বিশাল চালান উদ্ধার করা হয়েছে। অবৈধ মদ উৎপাদন ও বেচাকেনা ঠেকাতে এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে সচেতন মহল, তবে একইসঙ্গে উঠেছে প্রশ্ন—এত অবৈধ মদ মজুতের পরও প্রশাসন এতদিন কী করছিল?
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চুয়াডাঙ্গার বড়বাজার সংলগ্ন মাথাভাঙ্গা ব্রিজের নিচে সুইপার পট্টি এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মন্জুরুল রহমান মাশফির নেতৃত্বে এক অভিযানে ১৯৩ লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
একইদিন রাতেই আলমডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন সৌমিক এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর আরেকটি টিম আলমডাঙ্গার মুন্সিগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০৪ লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করে।
এই দুই অভিযানে মোট প্রায় ৪০০ লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার হয়, যা স্থানীয়ভাবে অবৈধভাবে প্রস্তুত ও বিক্রি হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয়রা বলছেন, “প্রতিনিয়ত এসব মাদকদ্রব্য শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে। সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে যা উদ্ধার করছে তা কেবল ‘বরফের চূড়া’। প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এ নেশাজাতীয় দ্রব্যের বাজার বন্ধ হবে না।”
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মদ ও সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, “এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হওয়া উচিত। অবৈধ মদ উৎপাদন, পরিবহন ও ব্যবসার সাথে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া না হলে এ প্রবণতা থামানো যাবে না।”
Leave a Reply